ইলম, আমল ও আখলাকের সমন্বয়ে আদর্শ আলিমা/ হাফেযা তৈরির বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান
মানুষ দুনিয়াতে আল্লাহর প্রতিনিধি। আর এই প্রতিনিধিত্বের যোগ্যতা মানুষ অর্জন করেছে ইলমের মাধ্যমে। তাইতো মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোষনা করেছেন, 'ইলমে দ্বীন অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ'। আর এ কথা দিবালকের মতো স্পষ্ট যে নর-নারীর উভয়ের সমন্বয়েই মানব সমাজ। তাই সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠি নারীদেরকে উপেক্ষা করে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনের সুখ শান্তি এবং সন্তুষ্টি ও পরলৌকিক জীবনে মুক্তি কিছুতেই সম্ভব নয়। কারণ একটি মেয়ে হয়তো পিতা-মাতার সংসারে আদর্শ কন্যা। ভাই-বোনের জন্য আদর্শ বোন, স্বামীর সংসারে আদর্শ স্ত্রী, সন্তানের নিকট আদর্শ মা, নয়তো এর প্রতিটি ক্ষেত্রেই সে অশান্তি ও বিড়ম্বনার সবচেয়ে বড় কারণ। আর সবচেয়ে বড় কথা হল, আজকের প্রতিটি মেয়েই ভবিষ্যত সমাজ সংসারে একজন আদর্শ কান্ডারী এবং অনাগত বংশধরের জন্য তারাই প্রথম পাঠশালা। তাই মেয়েদের জন্যও নৈতিক ও দ্বীনি শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরামদের তত্ত্ববধানে জামিয়া আরাবিয়া মারকাযুন নূর (বালিকা মাদরাসার) এই সময়োপযোগী উদ্দ্যোগ।
ইলম, আমল ও আখলাকের সমন্বয়ে আদর্শ আলিম তৈরির বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান
শিক্ষার ধরণ ==
জামিরা আরাবিয়া মারকাযুন নূর (বালিকা মাদ্রাসা) মূলত সাধারণ ও দ্বীনি শিক্ষার এক অনন্য সমন্বয়ের নাম। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিটি মেয়ে এক দিকে যেমন নিজে ও নিজের পরিবার পরিজন এবং অনাগত সন্তানদেরকে ধর্মীয় অনুশাসন ও দ্বীনি মন মানসিকতায় গড়ে তোলার যোগ্যতা অর্জন করবে, অন্যদিকে সে প্রচলিত সাধারণ শিক্ষা থেকেও বঞ্চিত হবে না।
-------------------------
স্তর বিন্যাস ==
বর্তমানে মাদ্রাসায় শিক্ষার চারটি স্তর রয়েছে
মকতব বিভাগ
এ বিভাগে অনুর্ধ্ব ৬-৮ বছরের মেয়েদের নূরানী পদ্ধতিতে সহীহ-শুদ্ধভাবে কুরআনুল কারীমের তেলাওয়াত, নির্বাচিত সূরা সমূহ ও আম্মাপারা হিফজসহ বাংলা, অংক, ইংরেজি শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা।
-------------------------
হিফজ বিভাগ ==
মকতব বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ ছাত্রীদেরকে তিন/চার বছরের মধ্যে তারতিলের সাথে কুরআনুল কারীম হিফজ করানোর ব্যবস্থা।